বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ রূপ নিল ঘূর্ণিঝড়ে

দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। গতকাল শনিবার গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় ফণী দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আজ রবিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন ছয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেদ্রের ৫৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরকে সমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তা আবুল কালাম মল্লিক জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী আরো ঘনীভূত হয়ে ভারতের অন্ধ প্রদেশে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ৬২ কিলোমিটার, যা ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের সাগর উত্তাল রয়েছে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, টানা কয়েক দিনের দাবদাহের পর গত শুক্রবার রাতেই গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আভাস দেওয়া হয়। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।

আমাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এই বিভাগের পোস্ট

Back to top button
Close