প্রচণ্ড কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিএনপি

প্রচণ্ড এক কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে পড়েছে বিএনপি আর সেইসঙ্গে বিএনপি শিবির। বিগত নির্বাচনকে সামনে রেখে নীরব ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে দ্রুততার সঙ্গে গড়ে উঠেছিল এই শিবির। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে জগাখিচুড়ি ও অসামঞ্জস্যতা নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেই শিবির।

সংগঠনগত দিকে থেকে বিএনপির ছিল দুই নৌকায় পা, এক পা ছিল ঐক্যফ্রন্টে আর এক পা ২০ দলীয় জোটে। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যেমন ছিল বিএনপি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের ড. কামালের রাজনীতির সঙ্গেও ছিল বিএনপি। আরো মজার ব্যাপার হলো, এই শিবির প্রধানমন্ত্রী পদে কাউকে সামনে রাখতে পারেনি।

দেশে নেতা হিসেবে শিখণ্ডির মতো ড. কামালকে সামনে রেখেছিল আর বাস্তবে বিদেশে অবস্থানরত তারেক রহমান ছিল আসল নেতা। নেতৃত্ব নিয়ে এই গোঁজামিলের মধ্যে লন্ডনের মনোনয়ন বাণিজ্য ওই শিবিরের নির্বাচনী তৎপরতার বারোটা বাজিয়েছিল। বলাই বাহুল্য, এই ধরনের কিম্ভূতকিমাকার রাজনীতি ও সংগঠন শক্তি নিয়ে বিধ্বস্ত ও নেতৃত্বহীন বিএনপির পক্ষে নির্বাচনে বিজয় দূরে থাক, মাথা তুলে দাঁড়ানোও যে সম্ভব ছিল না, তা ইতোমধ্যে প্রমাণিত।

প্রকৃত বিচারে স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী সামনে রেখে দেশের রাজনীতি আজ এমন এক ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে, যাতে আওয়ামী লীগের যেমন বিজয় অব্যাহত রাখা ভিন্ন অন্য কোনো পথ নেই, তেমনি বিএনপি পরাজিত ও বিধ্বস্ত হয়ে বিলীন হওয়া ছাড়া আর বিকল্প কিছু নেই। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এই দুই দৃশ্য দেখার জন্য দেশবাসী অপেক্ষা করবে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কথাবার্তা আছে এবং অবস্থা পর্যবেক্ষণে এমনটাও বলা যায় যে, উল্লিখিত ধরনের জগাখিচুড়ি মার্কা প্রচেষ্টা না নিয়ে বিএনপি যদি একা কিংবা ২০ দলীয় জোট কিংবা ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিত, তবে হয়তো ভালো করত। প্রসঙ্গত বিএনপির ৬ জন, ধানের শীষ নিয়ে গণফোরামের ১ জন এবং নিজস্ব প্রতীক সূর্য নিয়ে গণফোরামের ১ জন মোট ৮ জন বিএনপি শিবির থেকে নির্বাচনে জয়লাভ করে।

নির্বাচনী ফলাফল যত খারাপই হোক, বিএনপি শিবিরের বিজয়ী প্রার্থীরা যদি প্রথম ধাক্কায়াই শপথ নিয়ে সংসদে যোগ দিত, তবেও হয়তোবা তখন এক ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো বিএনপিকে। কিন্তু ওজন না বুঝে এবং ভবিষ্যতে কোন ধরনের বিপদে পড়তে পারে, তা না ভেবে আবারো সংসদ বয়কটের লাইনে যায় বিএনপি। তাতে এখন আরো বড় ঝড়ের তাণ্ডবে পড়েছে বিএনপি শিবির। যে ঝড় সবকিছুকে তছনছ করে দিতে উদ্যত।

ইতোমধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে শপথ নিয়ে সংসদে যোগ দিয়েছেন। গণফোরামের মোকাব্বির খান সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিজের দল গণফোরামে সিদ্ধান্ত নিয়েই তিনি সংসদে যোগ দিচ্ছেন।

সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান সংসদে যোগ দেয়ার পর কি বলা যাবে, ঐক্যফ্রন্ট আদৌ রয়েছে? এদিকে পত্রপত্রিকার খবর থেকে জানা যাচ্ছে, বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৬ জনের মধ্যে কয়েকজন বলেছেন, ‘স্থানীয় নেতাকর্মী ও জনগণের কাছ থেকে তারা সংসদে যাওয়ার পরামর্শ পাচ্ছেন।’ এ কথার অর্থ হচ্ছে, সংসদে যোগদানের জন্য তারা এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

যারা নির্বাচনে লড়াই করে জিতেছেন, তাদের জন্য সংসদে যোগদান করার প্রবল ইচ্ছা থাকাটাই স্বাভাবিক। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, সংবিধান ও সংসদ বহাল থাকলে সংসদের ভেতরে-বাইরে লড়াই করার নীতি-কৌশল দেশ-কালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। বাইরে আন্দোলনের জোয়ার না থাকলে তা আরো যুক্তিযুক্ত।

সার্বিক বিচারে বর্তমানে বিএনপি দলটি তার দুই জোট নিয়ে আছে চরম এক বিপন্ন অবস্থায়। দুই নৌকায় পা রাখার যে কি বিপদ তা দলটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে সক্ষম হচ্ছে। ইতোমধ্যে দলীয় কার্যালয়ে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় ২০ দলীয় জোট নেতা এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের যারা ড. কামালের সঙ্গে আছেন তাদের অনেকে সরকারের কাছ থেকে পয়সা নিয়েছেন। কোন বাসায় পয়সা নিয়েছেন, কে নিগোসিয়েট করেছেন, সেই তথ্যগুলো আমার কাছে আছে।..

২০ দলীয় জোটের অনেক নেতাও সরকারের কাছ থেকে পয়সা নিয়েছেন।’ পুনরায় নির্বাচন প্রসঙ্গে বিদেশিদের কাছে ড. কামাল ও বিএনপি নেতৃত্বের ধরনা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘রাস্তায় নেমে সংগ্রাম করলে পুনরায় নির্বাচন অসম্ভব নয়।…

এখানে অমুকের দ্বারস্থ, তমুকের দ্বারস্থ হলে চলবে না।’ মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সমমর্যাদা দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্বে নয়, সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে স্বাধীনতা এসেছে।’

২০ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা যখন এসব বলছেন, তখন ঐক্যফ্রন্টের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কি বক্তব্য দেয়া হবে, তা নিয়ে বাধে বিবাদ বিসংবাদ। স্লোগান ওঠে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলতেই হবে। একই সঙ্গে দর্শকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, এ কথা আপনাকে বলতেই হবে।’

ধমক দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ওইসব বিদ্রোহীকে থামিয়ে দেন। একপর্যায়ে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ড. কামালের কাছে গিয়ে কানে কানে ওই কথা বলতে বলেন। এতে ড. কামাল দেন মন্টু সাহেবকে ধমক এবং বলেন, ‘কেন কথা বলছ? আমি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যা বলেছি, তা-ই বলব। এর বাইরে একটি কথাও বলব না।’

ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট উল্লিখিতভাবে যখন রয়েছে নীতি ও কৌশল প্রশ্নে বহুধাবিভক্ত, তখন বিএনপির অভ্যন্তরীণ অবস্থা আরো সঙ্গীন। নেতায় নেতায়, নেতাকর্মীর মধ্যে তর্কাতর্কি, পাল্টাপাল্টি, মুখোমুখির ঘটনা ঘটে চলছেই। তথাকথিত উগ্র আন্দোলন কিংবা ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের পথে যাওয়ার জন্য একটি অংশ নাকি পাঁয়তারা করছে। ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ ‘দেশের বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ¦লবে’ বলে প্রধানমন্ত্রীকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন।

এই অবস্থায় ২৪ মার্চ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে মহাসচিব মির্জা ফখরুল বক্তব্য দেয়া শুরু করলে বাধার সম্মুখীন হন। এদিকে পত্রপত্রিকার খবরে জানা যাচ্ছে, বিএনপির তৃণমূল কাউন্সিল করার জন্য মুখিয়ে আছে। তৃণমূলের মুখপাত্র বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘আমাদের পোলাও বিরিয়ানি খেয়ে কাউন্সিল করার দরকার নেই, প্রয়োজনে আমরা ডালভাত খেয়ে কাউন্সিল করব।…

খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া ছাড়া আর সব পদ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হোক।’ তৃণমূল যখন সর্বোতভাবে চাপ দিচ্ছে, তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লন্ডন প্রবাসী নেতা তারেক রহমান কাউন্সিলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

চাপ সামলাতে তিনি স্কাইপিতে জেলা কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেয়ালে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, কাউন্সিল হলে ‘ভাইয়া’ নেতৃত্ব নিয়ে বিপদে পড়তে পারেন বিবেচনায় তারেক রহমান কাউন্সিলের বিপক্ষে। বলার অপেক্ষা রাখে না, চেয়ারপারসন ও দুর্নীতির দায়ে আদালতের রায়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়াও সময় অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও এখন কাউন্সিল চাচ্ছেন না। কেননা তিনি নাকি মনে করছেন, কাউন্সিল হলে মা-ছেলেকে ‘মাইনাস করার ষড়যন্ত্র’ হতে পারে। জানা যায়, মুখে যত গরম গরম কথাই নেতারা বলুক না কেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকারের সঙ্গে পুরোদমে দেনদরবার করছে বিএনপির নেতারা। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি প্রধান মুক্তি পেলে তিনিই দলের কাউন্সিলের উপযুক্ত সময় বেছে নেবেন।’ সরকারের সঙ্গে যোগসাজশ না থাকলে তিনি কীভাবে এতটা নিশ্চিত হতে পারেন!

বিএনপি দল ও দুই জোটের উল্লিখিত অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে এটা সহজেই অনুমান করা চলে, কতটা ত্রিশঙ্কু অবস্থার মধ্যে নিপতিত হয়েছে বিএনপি। ক্ষমতায় থেকে ‘হাওয়া ভবন’-এর চুরি-ডাকাতি আর উগ্রজঙ্গি সন্ত্রাসী অপতৎপরতার প্রেক্ষাপটে বিগত এক দশকে উপর্যুপরি সংসদ-আলোচনা- নির্বাচন বয়কট করা এবং গৃহযুদ্ধ বাধানোর জন্য আগুন সন্ত্রাস চালানো প্রভৃতির জন্য এমন পরিণতি বিএনপির হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক। সর্বোপরি বিএনপির রয়েছে গোড়ায় গলদ, যাকে বলা যেতে পারে জন্মলগ্নের পাপ।

হত্যা-খুন-ক্যু-পাল্টা ক্যু-সামরিক আইনের মধ্যে দেশের জন্মলগ্নের মর্মবাণী জাতীয় চারনীতি বিশেষত বাঙালির অসাম্প্রদায়িক জতিসত্তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে দলটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। জাতির পিতার নাম নেয়া সামরিক ফরমান দিয়ে বন্ধ করে, হত্যার বিচার বন্ধ করতে ইমডেমনিটি দিয়ে, যুদ্ধাপরাধী ঘাতক-দালাল দল জামায়াতকে রাজনীতি করার অধিকার দিয়ে, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনের সুযোগ দিয়ে যে দলের জন্ম হয়; সেই দল যে একদিন ত্রিশঙ্কু অবস্থার মধ্যে নিপতিত হবে; তা ছিল নিয়তির মতোই অনিবার্য।

অবস্থা পর্যবেক্ষণে মনে হচ্ছে, বিএনপি এখন সংসদে যাক বা না যাক, দুই জোটে অর্থাৎ দুই নৌকার পা রাখুক কিংবা না রাখুক, সরকারের সঙ্গে দেনদরবারে খালেদা জিয়া মুক্তি পান বা না পান, আবারো সরকার উৎখাতের জন্য আগুন সন্ত্রাসে নামুক আর না-ই নামুক; স্বখাতসলিল থেকে বিএনপির উদ্ধারের আর কোনো পথ যেন নেই।

প্রবাদ বলে, সময়ের এক ফোঁড়ে যা হয়, অসময়ের দশ ফোঁড়েও তা হয় না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর সময়টা বিএনপি পার করে দিচ্ছে। সত্যি সত্যিই বিএনপি পথ হারিয়ে ফেলেছে।

এমনটা হওয়াই ছিল স্বাভাবিক। সুদীর্ঘ তেরো বছর ক্ষমতার বাইরে থেকে লড়াই করে টিকে থাকার মতো রাজনৈতিক দল যে নয় বিএনপি এটা এখন প্রমাণ করে চলেছে। অতীতে ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৯ বছর ক্ষমতার বাইরে ছিল দলটি। একটু খেয়াল করলেই স্মরণে আসবে, দলটির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়া হত্যার পটভূমিতে নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাত্তারের মাথা নিচু করে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়ার পর বিএনপি পড়েছিল প্রায় একই রকম ত্রিশঙ্কু অবস্থার মধ্যে।

তখন খালেদা জিয়া নেতৃত্বে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সেটা অবশ্য তিনি পারতেন না, যদি এরশাদ বিরোধী ৮ দল, ৭ দল, ৫ দলের যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপি যোগ না দিত। সর্বোপরি তখন বিএনপি ছিল ‘ক্যান্টনমেন্টের রাজনৈতিক দল’ বৈ আর কিছু না। এখন আর সেই অবস্থা নেই।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন, বাঙালি বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারে কিন্তু বিজয় ধরে রাখতে পারে না। জীবন দিয়ে তিনি তা প্রমাণ করেছেন। অন্ধকারে দিশা হারিয়েছিল বাঙালি জাতি। কিন্তু ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ বিশেষত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক সাহস দূরদর্শিতা প্রজ্ঞা দিয়ে বুঝে নিয়েছেন, কীভাবে বাধা-বিপত্তি, যড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবিলা করে বিজয়কে ইপ্সিত লক্ষ্য অভিমুখে অগ্রসর করে নিতে হয়।

প্রকৃত বিচারে স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী সামনে রেখে দেশের রাজনীতি আজ এমন এক ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে, যাতে আওয়ামী লীগের যেমন বিজয় অব্যাহত রাখা ভিন্ন অন্য কোনো পথ নেই, তেমনি বিএনপি পরাজিত ও বিধ্বস্ত হয়ে বিলীন হওয়া ছাড়া আর বিকল্প কিছু নেই। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এই দুই দৃশ্য দেখার জন্য দেশবাসী অপেক্ষা করবে।

লেখক : রাজনীতিক।

-Jagonews

আমাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এই বিভাগের পোস্ট

Back to top button
Close